হিমালয়কন্যা নেপালে ভয়াবহ প্রলয়: নেপালি প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহকে প্রধানমন্ত্রীর সমবেদনা ও জরুরি সহায়তার আশ্বাস

0
হিমালয়কন্যা নেপালে ভয়াবহ প্রলয়: নেপালি প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহকে প্রধানমন্ত্রীর সমবেদনা ও জরুরি সহায়তার আশ্বাস

বাংলাদেশ প্রতিবেদকঃ নেপাল-তিব্বত সীমান্তে তুষারধস-পরবর্তী বিধ্বংসী বন্যায় ভয়াবহ প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতিতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তাঁর ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় তিনি নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ (বালেন শাহ) এবং দেশটির জনগণের প্রতি এই সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

একই সঙ্গে কাঠমান্ডুর যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে ত্রাণ ও উদ্ধারকাজসহ সব ধরনের মানবিক সহায়তা দিতে বাংলাদেশ প্রস্তুত বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

পোস্টে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লিখেছেন, “নেপালে আঘাত হানা ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানির মর্মান্তিক ঘটনায় আমি গভীরভাবে মর্মাহত ও দুঃখিত। আমার জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ এবং নেপালের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।”

নিহতদের স্বজন ও ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, “যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন এবং তাঁদের পরিবার ও প্রিয়জনদের প্রতি আমাদের চিন্তা ও প্রার্থনা রয়েছে, যাঁর এই বিশাল ক্ষতির ভার বহন করছেন। এই দুর্দশার সময়ে নেপালের যে ধরনের সহযোগিতার প্রয়োজন হতে পারে, তা দিতে আমরা প্রস্তুত।” বার্তার সাথে তিনি ‘নেপাল টাইমস’-এর সৌজন্যে প্লাবিত এলাকার দৃশ্যসংবলিত একটি ছবিও প্রকাশ করেন।

নেপালের রসুয়া জেলায় ভোটকোশী নদীর এই প্রলয়ঙ্করী আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ইতোমধ্যে ৯৮ জনে পৌঁছেছে এবং প্রায় ৪০৩ জন (যার মধ্যে ৩৪১ জন বিদেশি নাগরিক) নিখোঁজ রয়েছেন। নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ এক জরুরি বার্তায় উদ্ধার তৎপরতার পূর্ণ আশ্বাস দিয়ে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন এবং কাঠমান্ডুর বীর হাসপাতালসহ ট্রমা সেন্টারে বিনামূল্যে চিকিৎসার নির্দেশ দিয়েছেন। এমন সংকটাপন্ন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সহায়তার এই প্রস্তাব দুই প্রতিবেশী দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের অনন্য দৃষ্টান্ত বহন করে।