উল্লাপাড়া প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ঈদ বাদেই মোহনপুর ও উধুনিয়ায় বোরো ধান কাটতে দলবেধে মজুরেরা আসতে শুরু করেছেন। আজ মোহনপুরে একজন ধান কাটা মজুরের দিনের হাজিরা দাম এগারোশো টাকা সাথে তিন বেলা খাবার থাকছে। আচলগাতি গ্রামের গৃহস্থ কৃষক সবুজ হোসেন চারজন ধানা কাটা মজুরকে এ চুক্তিতে দুপুরে বাড়ী নিয়ে যান। উধুনিয়ায় আসা মজুরেরা ধান চুক্তিতে মজুরী বেচতে এসেছেন।
উপজেলার মোহনপুর , উধুনিয়া , বড় পাঙ্গাসী ইউনিয়নের বেশিরভাগ মাঠে এবারে নাবী করে বোরো ধান ফসলের আবাদ হয়েছে। এসব মাঠে ধানে পাক ধরেছে। আগাম আবাদের ধান কাটা শুরু হয়েছে । লাহিড়ী মোহনপুর রেল ষ্টেশনে রাজশাহীর বাগমারা , চারঘাট , নওগার আত্রাই , নিয়ামতপুর , নাটোরের লালপুর , গুরুদাসপুর , সিংড়া , বগুড়ার শেরপুর , চান্দাইকোনা , সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ , কাজিপুরের বিভিন্ন গ্রাম থেকে দলবেধে ধান কাটার মজুরেরা আসেন। এখান থেকে এলাকার গৃহস্থ কৃষকেরা ধান কাটার মজুরদের দর দাম মিটিয়ে বাড়ী নিয়ে যান। আজ শনিবার দুপুরে সরেজমিনে লাহিড়ী মোহনপুর রেল ষ্টেশনে গিয়ে দেখা গেছে রায়গঞ্জের ধানগড়া থেকে চারজনের একটি দল ধান কাটায় মজুরী বেচতে বেলা এগারোটায় এসেছেন। এলাকার কয়েকজন গৃহস্থ কৃষক তাদের আবাদের ধান কাটাতে মজুরদের সাথে দর দাম করতে থাকেন। আচলগাতি গ্রামের গৃহস্থ কৃষক সবুজ হোসেন পাচ বিঘা জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছেন। সে ধান কাটতে দিনের হাজিরায় এগারোশো টাকা ও তিন বেলা খাবার দেবেন চুক্তিতে মজুর চারজনকে বাড়ী নিয়ে যান। বংকিরাট গ্রামের রতন মির্জা বলেন আট বিঘা জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছেন । ধান পেকেছে। সকাল দশটা থেকে ধান কাটার মজুরদের জন্য লাহিড়ী মোহনপুর রেল ষ্টেশনে বসে আছেন । সকালে দুদলে জনা দশেক মজুর এসেছিলেজ। দর দামে মেটেনি । তারা অন্য গৃহস্থ কৃষকদের ধান কাটতে চুক্তিতে গেছেন।তিনি আশা করছেন বিকেলে আরো মজুর আসবেন। ধান কাটাতে দর দাম মিটিয়ে বাড়ী নিয়ে যাবেন।
এদিকে বিকেল তিনটায় রাজশাহীর বাঘা থেকে ১৩ জন ধান কাটার মজুর এসেছেন। এদের দলনেতা বজলুর রহমান বলেন তারা ধান কাটতে গৃহস্থ কৃষকদের কাছ থেকে টাকা নয় ধানের বিনময়ে বিঘা চুক্তিতে ধান কাটবেন । এর সাথে তাদরকে তিন বেলা খাবার দেওয়া ও থাকার জায়গার ব্যবস্থা করে দিতে হবে বলে জানানো হয় ।

